লাল নীল দীপাবলি প্রশ্নাবলি Lal Nil Dipaboli
১. “ভারততীর্থ” কবিতাটি লিখেন- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ২. বাঙলা সাহিত্যের প্রথম বই বা প্রথম কাব্যগ্রন্থ চর্যাপদ। ৩. চর্যাপদ রচিত হয়েছিলো- ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টান্দে। ৪.”যারা বাউলায় জ'ন্মে বাঙলা ভাষাকে ঘৃণা করে তারা কেনো এদেশ ছেড়ে চলে যায়না? তারা চ'লে যাক।” - এই কথাটি বলেছেন কবি আবদুল হাকিম। ৫.বাংলা ভাষা উদ্ভূত হয় যেভাবে- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা বদলে হয় পালি ভাষা। পালি ভাষায় বৌদ্ধরা ধর্মগ্রন্থ লিখতেন। এই পালি ভাষা ক্রমে ক্রমে পরিবর্তিত হয়ে প্রাকৃত ভাষা হয়। এই প্রাকৃত ভাষাও বদলাতে শুরু করে এবং দশম শতকের মাঝভাগে এলে রুপ নেয় বাংলা ভাষায়। ৬. চর্যাপদের ভাষাকে বলা হয়- সন্ধ্যাভাষা। ৭. বাঙলা সাহিত্যের তিন যুগঃ ক) প্রাচীন যুগ- ৯৫০ থেকে ১২০০ পর্যন্ত। খ) মধ্যযুগ- ১৩৫০ থেকে ১৮০০ পর্যন্ত। গ) আধুনিক যুগ- ১৮০০ থেকে আজ পর্যন্ত। ৮. এদেশের নামের কাহিনী বলেন- সম্রাট আকবরের সভার এক রত্ন আবুল ফজল। ৯. পশ্চিম বাংলা প্রথমবারের মতো একত্রিত হয়- গৌড়ের রাজা শশাঙ্কের আমলে। ১০. "বঙ্গ" নামে বাংলার সমস্ত জনপদ একত্র করেন- পাঠানরা। ১১. ১২০০ থেকে ১৩৫০ শতাব্দীকে বলা হয়- অন্ধকার যুগ। ১২. মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ ফসল- বৈষ্ণব পদাবলী। ১৩. প্রথম উপন্যাস লিখেন- প্যারীচাঁদ মিত্র। ১৪. প্রথম উপন্যাসের নাম- “আলালের ঘরে দুলাল”। ১৫. প্রথম মহাকাব্য লিখেন- মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ১৬. প্রথম মহাকাব্যের নাম- মেঘনাদবধকাব্য। ১৭. প্রথম ট্র্যাজেডি- কৃষ্ণকুমারীনাটক। ১৮. চর্যাপদের অন্য নাম- চর্য্যাচর্য্যাবিনিশ্চয় বা চর্য্যান্চর্য্যবিনিশ্চয়। ১৯. চর্যাপদের সাথে আবিষ্কৃত আরো দুটি বই- ডাকার্ণব ও দোহাকোষ। ২০. বইগুলো আবিষ্কার হয়- নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে ১৯০৭ সালে। ২১. বইগুলো আবিষ্কার করেন- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। ২২. ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ইংরেজিতে একটি বিশাল বই লিখেন এবং প্রমাণ করেন চর্যাপদ শুধু বাঙালির বইটির নাম- বাঙলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ (১৯২৬)। ২৩. চর্যাপদ কতগুলো পদ বা কবিতা বা গানের সংকলন। এতে রয়েছে- ৪৬টি পূর্ণ কবিতা এবং ১টি ছেঁড়া খণ্ডিত কবিতা। ২৪. এ কবিতাগুলো লিখেছেন- ২৪জন বৌদ্ধ বাউল কবি। ২৫. তাদের মধ্যে সবচাইতে বেশি কবিতা লিখেছেন- কাহ্নপা , ১২টি। ২৬.কাহৃপাদের অন্য নাম- কৃষ্ণাচার্য। ২৭.অন্যান্যরা কবিতা লিখেছেন যথাক্রমে- ভূসুকপাদ ৬টি, সরহপাদ 8৪টি, কুন্কুরিপাদ ৩টি; লুইপাদ, শান্তিপাদ, শবরপাদ ২টি করে এবং বাকি সবাই ১টি করে। ২৮. বাংলা সাহিত্যে শ্রেণি সংগ্রামের প্রথম সূচনা হয়- কবিতাতে। ২৯. চর্যাপদের সবচেয়ে ভালো কবিতাটি লিখেছেন- শবরীপাদ। ৩০.কবিতাটির দুটি লাইন- উষ্ণা উষ্ণা পাবত তহি বসই সবরী বালী। মোরঙ্গী পীচ্ছ পরহিণ সবরী গিবত গুঞ্জরীমালী। ৩১.বাংলা ভাষার প্রথম মহাকবি, প্রথম রবীন্দ্রনাথ- বড়ু চপ্তীদাস। ৩২. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” কাব্যটি রচনা করেন- বড়ু চপ্ডীদাস। ৩৩.মধ্যযুগের শুরুতে রচিত হয়-শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। ৩৪. কাব্যটি প্রথম উদ্ধার হয়- ১৯০৯ সালে (বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে)। ৩৫. কাব্যটি উদ্ধার করেন: শ্রী বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্নভ। ৩৬. কাব্যটির নায়ক নায়িকা- কৃষ্ণ ও রাধা। ৩৭. মঙ্গলকাব্য হচ্ছে- মধ্যযুগের উপন্যাস। ৩৮. মঙ্গলকাব্য রচিত হয়েছে- প্রায় ৫০০ বছর ধরে ৩৯. "বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ অপাঠ্য” বলেছেন. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত 8০. মঙ্গলকাব্যের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হচ্ছে- চণ্তীমঙ্গল ও মনসামঙ্গল 8১. মনসামঙ্গল লিখেছেন: কানাহরি দত্ত, বিজয় গুপ্ত, নারায়ণ দেব. বিপ্রলাস ৪২. চত্রীমঙ্গল কাব্য লিখেছেন- মানিক দত্ত, ছিজ মাধব. মুকুন্দরাম চক্রবতী. ভারতচন্দ্র রায়. ছিজ রামদেব প্রমুখ ৪৩. চণ্টীমঙ্গল কাব্যের লেখকদের মধ্যে দুজন মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবিদের আসন পান। তারা হলেন- কবিকদ্ধন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী এবং রায়গুনাকর ভারতচন্দ্র 88. মনসামঙ্গলের দুজন সেরা কবি হলেন- বিজয়গুপ্ত এবং বংশীদাস 8৪৫. চণ্টীমঙ্গলের কাহিনী হল দুইটি- একটি কালকেতু ও ফুল্লরার এবং অপরটি ধনপতি ও লহনার ৪৬. মনসামঙ্গলের কাহিনী একটি ৷ কাহিনীটি হল- বেহুলা ও লখ্ন্দিরের ৪৭. মধ্যযুগের সমস্ত সাহিত্য হল- ধর্ম ও দেবতাকেন্দ্রিক 8৪৮. চঞ্জীমঙ্গলের চরিত্র- কালকেতু, ফুল্লরা, ভারুদত্ত। ৪৯. মনসামঙ্গলের চরিত্র- চাঁদ সওদাগর. সনকা, বেহুলা, লখিন্দর ৫০. মুকুন্দুরাম চক্রবর্তী কবির উপাধি ছিলো- কবিকন্কন ৫১. কবি মুকুন্দরাম যদি মধ্যযুগে জন্ম না নিয়ে বর্তমান কালে জন্ম নিতেন তাহলে হতেন- গুঁপন্যাসিক। ৫২. “আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে”-এই বিখ্যাত পংক্তিটি রচনা করেছেন- ভারতচন্দ্র রায়। ৫৩. ভারতচন্দ্রের উপাধি ছিল- রায়গুণাকর (তিনি মধ্যযুগের একজন শেষ্ঠ কবি)। ৫৪. ভারতচন্দ্রকে “রায়গুণাকর” উপাধি দিয়েছিলো- কৃষ্ণচন্দ্র নবদ্বীপের রাজা)। ৫৫. “আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে” এই প্রার্থনাটি করেন- ঈশ্বরী পাটনি। ৫৬. “বিদ্যাসুন্দর”-এর রচয়িতা- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। ৫৭. অনুন্দামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। ৫৮. অন্ন্দামঙ্গল কাব্যের ৩টি ভাগ- অশ্নদামঙ্গল, বিদ্যাসুন্দর, ভবানন্দ মানসিংহ কাহিনী। ৫৯. অন্নদামঙ্গলে ভারতচন্দ্র গুণকীর্তন করতে চেয়েছিলেন- কৃষ্ণচন্দ্রেরপূর্বপুরুষ ভবানন্দের। ৬০. ভারতচন্দ্র লিখিত অনেক কথা পরিণত হয় প্রবাদে ৷ মেমন- - “মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পতন” - “নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়” ৬১. চৈতন্যদেব এর জন্ম-মৃত্যু- ১৪৮৬ - ১৫৩৩। ৬২. চৈতন্যদেব এর প্রচারিত ধর্ম-বৈষ্ণব। ৬৩. বৈষ্ণব কবিতার প্রধান পাত্র-পাত্রী- রাধা ও কৃষ্ণ। ৬৪. সৃষ্টি বা বৈষ্ণবদের ভাষায় রাধা হলো- জীবাত্্া। ৬৫. সৃষ্টি বা বৈষ্ণবদের ভাষায় কৃষ্ণ হলো- পরমাত্থা। ৬৬. বৈষ্ণব কবিতা হল- গীতিকবিতা। ৬৭. বৈষ্ণবদের মতানুসারে রস ৫ প্রকার। যথাঃ শান্ত, দাস্য, বাৎসল্য, সখ্য ও মধুর। ৬৮. বৈষ্ণবদের কবিতা সর্বপ্রথম সংকলন করেন- বাবা আউল মনোহর দাস। ৬৯. বাবা আউল মনোহর দাসের সংকলনগ্রন্থটের নাম- পদসমুদ্র। ৭০. রবীন্দ্রনাথ যদি মধ্যযুগে জন্ম নিতেন, তবে তিনি হতেন একজন. বৈষ্ণব কবি। ৭১. বিদ্যাপতি কবিতা রচনা করতেন- ব্রজবুলি নামক এক ভাষায়। ৭২. ব্রজবুলি ভাষায় রয়েছে- হিন্দি শব্দ, বাংলা শব্দ এবং প্রাকৃত শব্দ। ৭৩. “সই কেবা শুনাইলো শ্যাম নাম”-পদটি রচনা করেন- চণ্ডীদাস। ৭৪. “রূপ লাগি আঁখি ঝরে গুণে মন ভোরে”-পদটি রচনা করেন- জ্ঞানদাস। ৭৫. বিদ্যাপতি ছিলেন- মিথিলার কবি। ৭৬. বিদ্যাপতির গ্রন্থগুলোর নাম হলো- পুরুষপরীক্ষা, কীর্তিলতা, গঙ্গাবাক্যবলী, বিভাগসার। ৭৭. বিদ্যাপতির উপাধি হলো- কবিকন্ঠহার। ৭৮. বাংলা কবিতায় তিনজন চন্ট্রীদাস আছেন, তারা হলেন- বড়ু চন্ডীদাস. দীন চন্ট্রাদাস এবং দ্বিজ চন্ডীদাস। ৭৯. বাংলা কবিতায় প্রথম মহাকবি- বড়ু চন্ডীদাস। ৮০. বড়ু চন্টাদাসের একটি কাব্য পাওয়া গেছে, কাব্যটির নাম-শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। ৮১. দ্বিজ চন্ডীদাস ছিলেন- বাশুলীদেবীর ভক্ত। ৮২. “সবার উপড় মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই”- উক্তিটি চন্ডরীদাসের। ৮৩. চৈতনাদেবের আসল নাম- বিশ্বপ্তর আর ডাক নাম. নিমাই । ৮৪. চৈতনাদেব বলেন- "মুচি হয়ে শুচি হয় যদি কৃষ্ণ ভজে।”" ৮৫. চৈতন্যদেবের জীবন স্রান্ত গ্রদ্থগুলো ও রচয়িতাঃ চৈতন্য ভাগবত- বৃন্দাবন দাস (প্রথম) চৈতন্যচরিতামৃত- কৃষ্ণদাস চৈতনামঙ্গল- লোচন দাস ৮৬. জামান ভাষায় বাইবেল অনুবাদ করেছিলেন- মার্টিন লুথার ৮৭. রামায়ণের অনুবাদক- কবি কৃত্তিবাস। ৮৮. মহাভারতের অনুবাদক- কবি কাশীরাম দাস। ৮৯. রামায়নের প্রথম অনুবাদক- কৃত্তিবাস। ৯০. রামায়নের আরেকজন অনুবাদক চন্দ্রাবতীর জন্ম- ১৫৫০ সালে। ৯১. চন্দ্রাবতী হলেন- মনসামঙ্গল কাব্যের কবি বংশী দাশের কন্যা। ৯২. মহাভারতের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক- কাশীরাম দাস। ৯৩. মহাভারতের প্রথম অনুবাদক- শ্রীকর নন্দী। ৯৪. হিন্দু ধর্মের একটি পবিত্র বই- ভাগবত। বইটির অনুবাদক- মালাধর বসু ৯৫. মালাধর বসুর ভাগবতের অন্য নাম-স্রীকৃষ্ণবিজয়। ৯৬. একজন মুসলমান রাজা মালাধর বসুকে উপাধি দেন- গুণরাজ খান। ৯৭. কৃত্তিবাসকে উদ্দেশ্য করে মাইকেল মধুসূদন দত্ত বলেন- কৃত্তিবাস, কীর্তিবাস কবি। ৯৮. কৃপ্তিবাসের রামায়নের অন্য নাম- শ্রীরামপাঞ্চালি। ৯৯. "পুরস্কার" কবিতাটি রচনা করেন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১০০. “পুরস্কার” কবিতার নায়কের নাম- কবি। ১০১. কৃত্তিবাসের রামায়ন প্রথম মুদ্রিত হয় - ১৮০২ কিংবা ১৮০৩ সালে। ১০২. কৃত্তিবাসের রামায়ন প্রথম মুদ্রণ করে- শ্রীরামপুরের খ্রিস্টীয় পাদ্রিরা। ১০৩. মহাভারত রচিত হয়- ১৬০২-১৬১০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে । ১০৪. বাংলা ভাষার প্রথম মুসলমান কবি- শাহ্ মুহাম্মদ সগীর। ১০৫. তিনি কাব্য রচনা করেন- সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে। ১০৬. শাহ মুহাম্মদ সগীরের কাব্যের নাম- ইউসুফ-জুলেখা। ১০৭. আধুনিককালে সাহিত্যের মূল বিষয়. মানুষ। ১০৮. লাইলি মজনুর প্রণয়ের কথা বলেন- বাহরাম খান। ১০৯. লাইলি মজনুর গল্প অবলঙ্ননে কালা রচনা করেন ফরাসি কবি- জ্লামি (এই কাবোর অনুবাদই মূলত বাহরামের “লাইলি মজশ্।। ১১০. বিদ্যাসুন্দরের কাহিনী নিয়ে বই লিখেন- সাবিরিদ খান। ১১১, সাবিরিদ খান বিদ্যাসুন্দর ছাড়াও লিখেন- রসূলনিজয়, হানিফা ও কায়রা। ১১২, মনোহর-মধুমালতির কাহিনী লিখেন- মুহাম্্দ কণির। ১১৩. “শবেমিরাজ” কাব্যের রচয়িতা- কবি সৈয়দ সুলতান। ১১১. "নসিহৎনামা " কাব্যটির রচয়িতা- আফজল আলী। ১১৫. "গাজিবিজয়"” ও “গোরক্ষবিজয়” নামে কাব্য লিখেন- শেখ ফয়ভুল্লাহ। ১১৬. কবি সৈয়দ সুলতান রচিত কাব্যগুলো- নারীবংশ, শবেমিরাজ, রসুলবিজয়, ওফাতে রসুল, জয়কুম রাজার লড়াই, ইবলিশনামা, জ্ঞানচৌতিশা, জ্ঞানপ্রদীপ। ১১৭. মধ্যযুগের দক্ষ কবি কবি আব্দুল হাকিম এর কয়েকটি কাব্য- ইউসুফ- জুলেখা, নূরনামা, কারবালা, শহরনামা। ১১৮. “যে সব বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবানী। সে সবে কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।।” পংক্তিটির রচয়িতা- কবি আবদুল হাকিম। ১১৯. আরাকানের প্রাটীন নাম- রোসাঙ্গ। ১২০. কাজি দৌলতের অসমাপ্ত কাব্যের নাম- সতীময়না বা লোরচন্দ্রালী। ১২১. মাগন ঠাকুরের কাব্যের নাম- চন্দ্রাবতী। ১২২. গ্রামে গ্রামে ঘুরে পুথি সংগ্রহ করেন- চট্টগ্রামের অধিবাসী আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ। ১২৩. আলাওলের শেষ্ঠ কাব্য- পদ্যাবতী। ১২৪. “পদ্মাবতী” রাচত হয়- ১৬৪৮ সালে। ১২৫. “পদ্মাবতী” একটি হিন্দি কাব্যের কাব্যানুবাদ। কাব্যটির নাম- পদুমাবত। ১২৬. "পদুমাবত” এর রচয়িতা- বিখ্যাত হিন্দি কবি মালিক মুহাম্মদ জায়সি। ১২৭. আলাওলের কাব্যগুলো হলো. পদ্মাবতী , সয়ফলমূলক-বদিউজ্জামান, হওপয়কর, তোহফা, সেকান্দারনামা। ১২৮. পদ্মাবতীর চরিত্র. পদ্যাবতী, রতুসেন, নাগমতি, আলাউদ্দিন খিলঙ্তি দেবপাল ১২৯. যাদের নাম বাংলা সাহিত্য সংগ্রহের জন্য বিখ্যাত, তাদের মধ্যে অন্যতম- চন্দ্রকুমার দে। ১৩০. চন্দ্রকুমার দে'র সংগৃহীত গীতিকাগুলো সম্পাদনা করেন- ডষ্টর দানলেশচন্দ্র সেন ১৩১. ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন চন্দ্রকুমার দে'র সংগৃহীত গীতিকাগুলো প্রকাশ করেন- ময়মনসিংহ গীতিকা (১৯২০) নামে। ১৩২. দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার সংগৃহিত রুপকথার নাম- ঠাকুরমার ঝুলি. ঠাকুরদাদার ঝুলি। ১৩৩. উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী সংগৃহিতরুপকথার নাম- টুনটুনির বই ১৩৪. মহুয়া গীতিকার চরিত্র- মহুয়া, হুমরা বেদে, নদের চাঁদ, পালঙ্গ। ১৩৫. মধ্যযুগের শেষ বড় কবি ভারতচন্দ্র নারা যান- ১৭৬০ সালে। ১৩১৬. কবিগান রচয়িতাদের জীবনী সংগ্রহ করেন- কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (১৮১২-১৮৫৯)। ১৩৭. টঙ্গার রাজা ছিলেন- নিধুবাবু (১৭৪১-১৮৩০)। ১৩৮. নিুবাবুর পুরো নাম- রামনিধি গুপ্ত। ১৩৯ নানান দেশের নানান ভাষা, বিনে স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা? - পঙক্তিগুলো রচনা করেন- রামনিধি গুপ্ত। ১৪০. পুথি সাহিত্যকে বলা হয়- মিশ্রভাষারীতির কাব্য, বটতলার পুথি ১৪১.পুথি সাহিত্যের কবিতাগুলো ছাপা হত- আরবী ফারসির মতো ডান দিক থেকে। ১৪২. ফকির গরীবুল্লাহর কাব্যগুলো হলো- ইউসুফ জুলেখা, আমির হামজা. সত্যপারের পুথি। ১৪৩. মোহাম্মদ দানেশের কাব্য হলো- গুলবে সানোয়ার, চাহার দরবেশ, শুরুল ইমান ইত্যাদি। ১৪৪. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ স্থাপিত হয়- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দের ৪ মে। ১৪৫. চম্পূকাব্য হলো- গদ্যেপদ্যে লেখা কাব্য ১৪৬. তিনটি বাংলা গদ্যে লেখা বই মুদ্রিত হয়েছিলো পর্তুগালের লিবসন থেকে। মুদ্রিত হয়- ১৭৪৩ সালে। ১৪৭. বইগুলো বাংলা ভাষায় লেখা হলেও ছাপা হয়েছিলো- রোমান অক্ষরে। ১৪৮. 'ব্রাহ্ষন রোমান ক্যাথলিক সংবাদ” বইটি লিখেন- দোম আন তোনিও। ১৪৯.'কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ” ও “বাংলা পর্তুগিজ অভিধান” লিখেন- মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ। ১৫০. উইলিয়াম কেরি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে যোগ দেন- ১৮০১ সালে, বাংলা ও সংস্কৃত ভাষার অধ্যাপক রূপে। ১৫১. ফোট উইলিয়াম কলেজের ছাপাখানা থেকে বাংলা অক্ষরে মুদ্রিত বাঙ্গালির যে বইটি সর্বপ্রথম বের হয় সেটির নাম- প্রতাপাদিত্যচরিত্র। ১৫২. “প্রতাপাদিত্যচরিত্র" বইটি প্রকাশিত হয়েছে- ১৮০১ সালে। ১৫৩.'প্রতাপাদিত্যচরিত্র” বইটি লিখেছেন- রামরাম বসু ১৫৪, রামরাম বসুর লিখা আরেকটি বই- লিপিমালা, প্রকাশ কাল ১৮০২ অন্দ। ১৫৫. রামরাম বসু বাংলা শিখিয়েছিলেন- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পরিচালক উইলিয়াম কেরিকে। ১৫৬. উইলিয়াম কেরির লেখা প্রথম বই- কথোপকথন। ১৫৭. উইলিয়াম কেরির “কথোপকথন” প্রকাশিত হয়- ১৮০১ সালে। ১৫৮. উইলিয়াম কেরির লেখা দ্বিতীয় বই- ইতিহাসমালা। ১৫৯. উইলিয়াম কেরির “ইতিহাসমালা” প্রকাশিত হয়- ১৮১২ সালে। ১৬০. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বই লিখেছেন- মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার (১৭৬২-১৮১৯)। ১৬১. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার এর লেখা বইগুলো- বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২), হিতোপদেশ (১৮০৮), রাজাবলি (১৮০৮), প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮১৩), বেদান্তচন্দ্রিকা (১৮১৭)। ১৬২. তোতা ইতিহাসলিখেছেন (১৮০৫) - চন্ডিচরণ । ১৬৩. এশপের কাহিনী লিখেছেন- তারিণীচরণ। ১৬৪. পুরুষপরীক্ষা (১৮১৫) লিখেছেন- হরপ্রসাদ রায়। ১৬৫. বাংলা ভাষায় প্রথম পত্রিকা প্রকাশ করেন- শ্রীরামপুরের মিশনারিরা, ১৮১৮ সালে। ১৬৬. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম পত্রিকার নাম- দিকদর্শন। ১৬৭. দিকদর্শন পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়. ১৮১৮ সালে। ১৬৮. ১৮১৮ সালে শ্রীরামপুরের মিশন থেকে প্রকাশিত আরো একটি পত্রিকা- সমাচার দর্পণ ১৬৯. বাঙালিদের প্রচেষ্টায় সর্বপ্রথম প্রকাশিত পত্রিকা- বাঙ্গালা গেজেট। ১৭০. "শিব প্রসাদ রায়” ছদ্যনামে রাজা রামমোহন রায় বের করেন - ব্রাহ্মণ- সেবধি, ১৮২১ সালে। ১৭১. ভবানীচরনের সম্পাদনা করা পত্রিকাগুলো হলো- সম্বাদকৌমুদি, সমাচার চন্দ্রিকা (এই পত্রিকায় সতীদাহপ্রথা নিবারনের জন্য লিখা হত)। ১৭২. ভবানীচরনের বইগুলো হল - কলিকাতা কমলালয়, নববাবুবিলাস, নববিবিবিলাস। ১৭৩. তৎকালিন সবচাইতে জনপ্রিয় পত্রিকা- সম্বাদপ্রভাকর। ১৭৪. “সম্বাদপ্রভাকর”-এর সম্পাদক ছিলেন- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। ১৭৫. “সন্বাদপ্রভাকর” পত্রিকাটি সাপ্তাহিকরুপে প্রথম প্রকাশ পায়- ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি। ১৭৬. “সম্বাদপ্রভাকর” পত্রিকাটি দৈনিক পত্রিকায় রুপ নেয়- ১৮৩৯ সালে। ১৭৭. রামমোহন রচিত বাংলা বইসমুহ- বেদান্ত গ্রন্থ (১৮১৫), বেদান্তসার (১৮১৫), ভট্টাচার্যের সহিত বিচার (১৮১৭), গোস্মামীর সহিত বিচার (১৮১৮), প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ (১৮১৮), পথ্যপ্রদান (১৮২৩), গৌড়ীয় ব্যাকরণ (১৮৩৩)। ১৭৮. বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে। ১৭৯. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর জন্মগ্রহণ করেন- ১৮২০ অন্দে ১৮০. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-এর পিতা- ঠাকুর দাস ও মাতা- ভগবতী দেবী। ১৮১. দাঁড়ি, কমা, সেমিকোলন ইত্যাদি চিহ্ৃনগুলো সবার আগে নিয়মিতভাবে সঠিক ব্যবহার করেন- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর । ১৮২. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত প্রথম মৌলিক বই- বেতালপঞ্চবিংশতি (১৮৪৭)। ১৮৩. “জল পড়ে। পাতা নড়ে ।চরণটি এই “- “বর্ণ পরিচয়” বই এর। ১৮৪. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শেক্সপিয়রের “কমেডি অব আ্যাররস” বাংলায় রুপান্তরিত করেন- ভ্রান্তিবিলাস (১৮৬৯) নামে। ১৮৫. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর বই সমুহ- বাঙলার ইতিহাস, জীবনচরিত, বর্ণ পরিচয়, কথামালা, বোধোদয়, আখ্যান মঞ্জুরী। ১৮৬. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর অনুবাদ সমুহ- শকুন্তলা, সীতার বনবাস। ১৮৭. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর মৌলিক বই সমুহ- বিধবাবিবাহ প্রচলিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব (১৮৫৫), বছবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব (১৮৫৫), তব্রজবিলাস (১৮৫৫), অতি অল্প হইলো (১৮৭৩), আবার অতি অল্প হইলো (১৮৭৩), প্রভাবতী সম্ভাষণ (১৮৯১), স্বরচিত জীবনচরিত (১৮৯১)(এটি ছিল উনার আত্মজীবনী) । ১৮৮. "অতি অল্প হইলো (১৮৭৩) এবং “আবার অতি অল্প হইলো “(১৮৭৩)রচনা করেছিলেন- “কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য” ছদ্যনামে। ১৮৯. 'প্রভাবতী সম্ভাষণ (১৮৯২)” একটি- শোকগাথা। ১৯০. বিখ্যাত “তত্ত্ববোধিনী” পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- অক্ষয়কুমার দন্ত। ১৯১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন. কাব্যময় গদ্যলেখক। ১৯২. দেবেস্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন-ব্রাহ্মধর্মের প্রতিষ্ঠাতা, তত্ত্বাবোধিনী সভা ও তত্তাবোধিনী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৩. বিখ্যাত পত্রিকা বিবিধার্থ সংগ্রহ (১৮৫১) এর সম্পাদক ছিলেন- রাজেন্দ্রলাল মিত্র ১৯৪. প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্যনাম- টেকচাঁদ ঠাকুর। ১৯৫. প্যারীচাঁদ মিত্র ১৮৫৪ সালে এক বন্ধুর সাথে প্রতিষ্ঠা করেন-“মাসিক পত্রিকা” নামক এক পত্রিকা। ১৯৬. প্যারীচাঁদ মিত্রের “আলালের ঘরে দুলাল" বই আকারে প্রথম বের হয়- ১৮৫৮ সালে। ১৯৭. প্যারীচাঁদ মিত্রের আরো কিছু বড় বই- মদ খাওয়ার বড় দায় জাত থাকার কী উপায় (১৮৫৮), রামারঞ্জিকা (১৮৬০), যৎকিঞ্চিত (১৮৬৫), ডেবিড হেয়ারের জীবনচরিত (১৮৭৮), বামাতোষিণী (১৮৮১)। ১৯৮. কালীপ্রসম্ন সিংহ চলতি গদ্যে লেখা বইয়ের নাম: হুতুম প্যাঁচার নকশা (১৮৬২)। ১৯৯. “আলালের ঘরে দুলাল” এর চরিত্রগুলো- মতিলাল, ঠকচাচা। ২০০. “পদ্মিনী উপাখ্যান” ( ১৮৫৮) কাব্যের রচয়িতা- রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায়। ২০১. “স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়”, চরণটি রচনা করেন- রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, “পদ্মিনী উপাখ্যান”( ১৮৫৮) কাব্যে। ২০২. রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায় এর আরো কিছু কাব্য হলো- কর্মদেবী (১৮৬২), শবরসুন্দরী (১৮৬৮), কাঞ্চীকাবেরী ( ১৯৭৯)। ২০৩. বাংলা কবিতায় আধুনিকতা আনেন- মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩।। ২০৪. মাইকেল মধুসূদন দত্তের ইংরেজী ভাষায় রচিত দুইটি কাল্য- ক্যাপটিভ ল্যাডি, ভিশন অফ দি পাল্ট। ২০৫, মাইকেল মধুসূদন দস্ত বাংলা কবিতার ভুবনে আসেন- ১৮৫৯ লালে। ২০৬. মাইকেল মধুসূদন দত্ত যে কাব্যের মাধ্যমে বাংলা কূলিতায় আলেন তার নাম- তিলোতভ্তমাসম্ভবকাব্য 'তিলোত্তমাসম্তবকাব্য” কাব্যটি একটি চার লর্গের আখ্যায়িকা কাব্য । ২০৭. মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রধান কাবা- মেঘনাদবধকাব্য মেঘনাদবধকাব্য প্রকাশিত হয়- ১৮৬১ সালে। ২০৮. “মেঘনাদবধকাব্য” একটি- নয় সর্গে রচিত কাব্য ৷ ২০৯. মেঘনাদবদকাব্যের নায়কের নাম- রাবণ। ২০৮. মাইকেল মধুসূদন দত্তের আরো কিছু কাব্যগ্রন্থ- ব্রজাঙ্গনাকাব্য(১৮৬১), বীরাঙ্গনাকাব্য (১৮৬২), চতুর্দশপদী কবিতাবলী (১৮৬৬)। ২০৯. বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সনেট রচনা করেন- মাইকেল মধুসূদন দন্ত ২০৯. মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম সনেট লিখেন- ১৮৬০ সালে ৷ যার লাম প্রথমে দিয়েছিলেন চতুর্দশপদী কবিতা। ২১০. মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম সনেটটি পরে পৃূর্ণরলিখিত হয়ে নাম পায় বঙ্গভাষা। ২১১. কায়কোবাদের কাব্যগুলো- মহাশ্যশান কাব্য (১৯০৪), মহররম শরিফ কাব্য (১৯৩২), শিবমন্দির (১৯৩৮), বিরহবিলাপ (১৮৭০), অশ্রুমালা (১৮৯৫)। ২১২. পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অবলম্বনে কায়কোবাদ রচনা করেন- মহাশ্মশান কাব্য। ২১৩. নবীনচন্দ্র সেন লিখেছেন- পলাশীর যুদ্ধ, ক্লিওপেট্রা, রৈবতক, কুরুক্ষেত্র, প্রভাস ইত্যাদি ২১৪, হেমচন্দ্র বন্দোপাধ্যায় লিখেছেন- বৃত্রসংহার, বীরবাহুকাব্য ৷ ২১৫. রবীন্দ্রনাথ বাংলা কাব্যের “ভোরের পাখি” বলেছেন- বিহারীলাল চক্রবর্তীকে। ২১৬. বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত কবিতার বইসমুহ- সঙ্গীতশতক (১৮৬২), প্রেমপ্রবাহিনী (১৮৭০), বঙ্গসুন্দরী (১৮৭০), নিস সন্দর্শন (১৮৭০), সারদামঙ্গল (১৮৮৬), সাধের আসন। ২১৭ “মহিলা” কাবোর রচয়িতা- সুরেন্দনাথ মজুমদার। ২১৮, 'স্বপনপ্রয়াণ” কাব্যের রচয়িতা দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর। ২১৯. ভূদেব মুখোপাধ্যায়ের গ্রন্থের নাম- এতিহাসিক উপন্যাস। ২২০. গোবিস্দচন্দ্র দাস রচিত কিছু কাব্য- প্রেম ও ফুল, শোকোচ্ছাস, মগের মুল্ুক। ২২১.এষা” কাব্যের রচয়িতা- অক্ষয়কুমার বড়াল। ২২২. ক্যাথরিন ম্যুলেনস রচিত বইয়ের নাম- ফুলমণি ও করুণার বিবরণ। ২২৩.'ফুলমণি ও করুণার বিবরণ” প্রকাশিত হয়- ১৮৫২ সালে। ২২৪. বাংলা সাহিতো প্রথম সার্থক উপন্যাস রচনা করেন- বন্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ২২৫. বন্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪) জন্মগ্রহণ করেন- হুগলী জেলার কোটালপাড়া গ্রামে। ২২৬. ভারতের সর্বপ্রথম গ্র্যাজুয়েট বন্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।। ২২৭. বন্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস মোট- ১৪টি। ২২৮. বস্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম ইংরেজী উপন্যাস- রাজমোহন'স ওয়াইফ (রাজমোহনের স্ত্রী)। ২২৯. বন্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম বাংলা উপন্যাস- দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫)। ২৩০. বন্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসসমূহঃ দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫), কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬), চন্দ্রশেখর (১৮৭৫), আনন্দমঠ (১৮৮২), রাজসিংহ (১৮৮২), সীতারাম (১৮৮৭), দেবীচৌধুরানী (১৮৮৪),ধবিষবৃক্ষ (১৮৭৩), কৃষ্ণকান্তের উইল (১৮৭৮), মৃণালিনী (১৮৬৯), ইন্দিরা (১৮৭৩), যুগলাঙ্গুরীয় (১৮৭৪), রজনী (১৮৭৭) আধারমণী (১৮৭৭)। ২৩১. স্বর্ণকুমারী দেবী রচিত উপন্যাসসমূহঃ দীপনির্বাণ (১৮৭৬), ছিন্নমুকুল (১৮৭৬), হুগলির ইমামবাড়ি (১৮৯৪), কাহাকে (১৮৭৮), বিদ্রোহ (১৮৯০), মিবাররাজ, ফুলের মালা (১৮৯৪), মিলন রাত্রি (১৯২৫)। ২৩২. বাংলায় প্রথম নাটক মঞ্চস্থ করেন এক বিদেশি (রাশিয়ান)। তার নাম- গেরাসিম লেবেদফ (১৭৪৯-১৮১৮)। ২৩৩. গেরাসিম লেবেদফ যে অনুবাদ নাটক প্রথম মঞ্চস্থ করেন তার নাম- ডিসগাইস। ২৩৪, “ডিসগাইস” নামক প্রহসনের অনুবাদ নাটকটি এ অঞ্চলে মঞ্চছু হয়. ১৭৯৫ সালে। ২৩৫. বাংলা ভাষার প্রথম নাটকের নাম- ভদ্রার্জুন। ২৩৬. “ভদ্রার্জুন” নাটকটি লিখেছেন- তারাচরণ শিকদার। ২৩৭.বাংলা ভাষার প্রথম ট্র্যাজিডি নাটক- কীর্তিবিলাস (১৮৫২)। ২৩৮. “কীর্তিবিলাসলিখেছে “ন- যোগেদ্দ্রচন্দ্র গুপ্ত। ২৩৯. “মার্চেন্ট অফ ভেনিস” অবলম্বনে হরচন্দ্র ঘোষ লিখেন- ভানুমতী- চিত্তবিলাস নাটক (১৮৫৩)। ২৪০. হরচন্দ্র ঘোষ “রোমিও এন্ড জুলিয়েট” অবলম্বনে লিখেন- চাকুমুখচিত্তহরা (১৮৬৪)। ২৪১. “নাটুকে রামনারায়ণ" ডাকা হতো- রামনারায়ণ তর্করতুব-কে। ২৪২. রামনারায়ণ তর্করত্বের লেখা নাটকগুলো হলোঃ কুলীনকুলসর্বস্ব (১৮৫৪), বেনী ও সংসার (১৮৫৬), রত্লাবলী (১৮৫৮), অভিজ্ঞানশকুন্তল (১৮৬০), মালতীমাধব (১৮৬৭), রুকনিহরণ (১৮৭১), কংসবধ (১৮৭৫), ধর্মবিজয় (১৮৭৫), নবনাটক (১৮৬৬)। ২৪৩, রামনারায়ণ তর্করত্বের কয়েকটি প্রহসন হচ্ছে- যেমন কর্ম তেমন ফল, উভয়সংকট, বুঝলে কিনা। ২৪৪. সাবিত্রী-সত্যবান (১৮৫৮) রচনা করেন- কালীপ্রসন্ন সিংহ। ২৪৫. মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক- শর্মিষ্ঠা (১৮৫৯)। ২৪৬. বাংলা ভাষার সত্যিকারের প্রথম আধুনিক নাটক- শর্মিষ্ঠা (১৮৫৯) (মধুসূদন এটির কাহিনী নেন মহাভারত থেকে)। ২৪৭. “অলীক কুনাট্যরঙ্গে মজে লোক রাঢ়ে বঙ্গে নিরখিয়া প্রাণে নাহি সয়।” -লিখেছেন- মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ২৪৮. মাইকেল মধুসূদন দত্তের দ্বিতীয় নাটক- পদ্মাবতী। এটির কাহিনী নেন তিনি গ্রীক উপকথা প্যারিসের বিচার নামের একটি গল্প থেকে। ২৪৯. মাইকেল মধুসূদন দত্তের শ্রেষ্ঠ নাটক- কৃষ্ণকৃষারীনাটক (নাটকটি লিখেছেন ১৮৬০ সালে, আর প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে)। এই নাটকের কাহিনী নিয়েছিলেন টডের রাজস্থান থেকে। ২৫০. মাইকেল মধুসূদন দত্তের মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়_ নাটক মায়াকানন ২৫১. প্রহসনগুলো হল-একেই কি বলে সভ্যতা, বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ ২৫২. দীনবন্ধু মিত্রের (১৮৩০-১৮৭৩। পিতৃপ্রদত্ত নাম: গন্ধর্ণনারায়ণ মিত্র। ২৫৩ দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম নাটক. নীলদর্পণ (১৮৬০)। ২৫৪, নবীনমাধন যে নাটকের চরিত্র- নীলদর্পণনাটক (১৮৬০)। ২৫৫ দীনদ্ধ মিত্রের অন্যান্য নাটক.= নবীন তপস্থিনী (১৮৬৩), সধবার একাদশী (১৮৬৬), বিয়ে পাগলা বুড়া (১৮৬৬), লীলাবতী (১৮৬৭), জামাই বারিক (১৮৭২), কমলে কামিনী (১৮৭৩)। ২৫৬, মীর মোশারফ হোসেন রচিত নাটকসমূহ- বসন্তকুমারী (১৮৭৩), জমিদার দর্পণ (১৮৭৩)। ২৫৭, দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত নাটকসমূহ- কন্কি অবতার (১৮৯৫), বিরহ (১৮৯৭), তারাবাঈ (১৯০৩), প্রতাপসিংহ (১৯০৫), দূর্গাদাস (১৯০৬), নূরজাহান (১৯০৮), মেবার পতন (১৯০৮), শাজাহান (১৯০৯), চন্দ্রগুপ্ত (১৯১১)। ২৫৮. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম- ১৮৬১ সালের ৭ মে। ২৫৯. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা-মাতা- দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, সারদা দেবী। ২৬০. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লোকান্তরিত হন- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (বাংলা- ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২-এ শ্রাবণ)। ২৬১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিজের নামে প্রথম যে কবিতাটি বের হয়- হিন্দুমেলার উপহার। ২৬২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যে বইটি সবার আগে ছাপানো হয়- কবি কাহিনী। ২৬৩. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার জেতেন- ১৯১৩ সালে। ২৬৪. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের নাম- কবিকাহিনী (১৮৭৮), বনফুল (১৮৮০), সন্ধ্যাসংগীত (১৮৮২), ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী (১৮৮৪), সোনার তরী (১৮৯৪), নৈবেদ্য (১৯০১), গীতাগ্জলী (১৯১০), পূরবী (১৯২৫) ইত্যাদি। ২৬৫. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যনাট্য, গীতিনাট্য ও নাটকের চিরকু বালীকিপ্রতিভা (১৮৮১), মায়ার খেলা (১৮৮৮), ডাকঘর (১৯১২), ইত্যাদি। সভা (১৯২৬), কালের যাত্রা (১৯৩২), তাসের দেশ (১৯৩৩) ২৬৬. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের নাম- করুণা (অসমাপ্ত, ১৮৭৭). বৌঠাকুরানীর হাট (১৮৮৩), রাজধ্ষি (১৮৮৭), চোখের বালি (১৯০৩), নৌকাডুবি (১৯০৬), শেষের কবিতা (১৯২৯), চার অধ্যায় (১৯৩৪) ইত্যাদি। | ২৬৭. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু উল্লেখযোগ্য গল্পের বই এর নাম- ছোটগল্প (১৮৯৪), বিচিত্র গল্প (১৮৯৪), কর্মফল (১৯০৩), গল্পসপ্তক (১৯১৬) তিনসঙ্গী (১৯৪০), গল্পসল্প (১৯৪১)ইত্যাদি। ২৬৮. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু উল্লেখযোগ্য ভ্রমণকাহিনী সংক্রান্ত বই এর নাম- যুরোপপ্রবাসীর পত্র (১৮৮১), য়ুরোপযাত্রীর ডায়রি (১ম খণ্ড ১৮৯১, ২য় খণ্ড ১৮৯৩), জাপানি যাত্রী (১৯১৯), রাশিয়ার চিঠি (১৯৩১) পথে ও পথের প্রান্তে (১৯৩৮) ইত্যাদি। ২৬৯.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু উল্লেখযোগ্য ভাষা ও সাহিত্য সমালোচনা সংক্রান্ত বইয়ের নাম- সমালোচনা (১৮৮৮), প্রাচীন সাহিত্য (১৯০৭), লোকসাহিত্য (১৯০৭)ইত্যাদি। ২৭০. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু উল্লেখযোগ্য গানের বইয়ের নাম- রবিচ্ছায়া (১৮৮৫), গীতিমাল্য (১৯১৪), গীতালি (১৯১৪) ইত্যাদি। ২৭১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ- বিবিধ প্রসঙ্গ (১৮৮৩), মন্ত্রী অভিষেক (১৮৯০), ভারতবর্ষ (১৯০৬) ইত্যাদি। ২৭২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মজীবনী- জীবনস্মৃতি (১৯১২), ছেলেবেলা (১৯৪০)। ২৭৩. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু চিঠিপত্র সংক্রান্ত বই- চিঠিপত্র (১৮৮৭), ভানুসিংহের পত্রাবলী (১৯৩০), ছিন্নপত্রাবলী (১৯৬০)। ২৭৪.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনার কিছু সংকলন- কাব্যগ্রন্থাবলী (১৮৯৬), চয়নিকা (১৯০৯), সঞ্চয়িতা (১৯৩১), রবীন্দ্ররচনাবলী (১৯৩৯)। ২৭৫. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম সংকলন বের হয়- ১৮৯৬ সালে। ২৭৬. “তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছে আকীর্ণ করি বিচিত্র ছলনাজ্বলে হে ছলনাময়ী।”- রবীন্দ্রনাথের শেষ কবিতা। ২৭৭. “ছন্দের যাদুকর” উপাধি পেয়েছেন- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত। ২৭৮. সত্যেস্দ্রনাথ দত্তের কয়েকটি কাব্য- বেণু ও বীণা (১৯০৬), হোমশিখা (১৯০৭), কুহু ও কেকা (১৯১২), অভ্র-আবীর (১৯১৬)। ২৭৯. “কাজলা-দিদি” কবিতাটি লিখেছেন- যতীন্দ্রমোহন বাগটী। ২৮০. যতীন্দ্রমোহন বাগটীর কাব্য- রেখা (১৯১০), অপরাজিতা (১৯১৩), নাগকেশর (১৯১৭)। ২৮১. পল্লীকবি বলা হয় -জসীম উদ্দীনকে। ২৮২. পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের কাব্য- রাখালী (১৯২৭), নকশী কাঁথার মাঠ (১৯৩৬), বালুচর (১৯৩৭), সোজনবাদিয়ার ঘাট (১৯৩৩)। ২৮৩. সাহিত্য পত্রিকা “কল্লোল” প্রথম প্রকাশিত হয়. ১৯২৩ সালে। ২৮৪. সাহিত্য পত্রিকা “কালি ও কলম” প্রথম প্রকাশিত হয়- ১৯২৬ সালে। ২৮৫. “কবিতা” পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- বুদ্ধদেব বসু। ২৮৬. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে বলেছেন- চিত্ররূপময়। ২৮৭, বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশকে বলেছেন: নির্জনতম কবি। ২৮৮. জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো- ঝরাপালক (১৯৩৪), ধূসর পান্ডুলিপি (১৯৪৩), বনলতা সেন (১৯৪৯), মহাপৃথিবী (১৯৫১), সাতটি তারার তিমির (১৯৫৫), রূপসী বাংলা (১৯৫৭), বেলা অবেলা কালবেলা (১৯৬১)। - ২৮৯. অমিয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থ -খসড়া (১৯৪৫), একমুঠো (১৯৪৬), মাটির দেয়াল (১৯৪৯), অভিজ্ঞানবসন্ত (১৯৫০), দূরযাত্রী (১৯৫১), পারাপার (১৯৬০), ঘরে ফেরার দিন, হারানো অর্কিড। ২৯০. বাংলা ভাষায় মার্কসীয় ধারার শ্রেষ্ঠ কবি- সুকান্ত ভট্টাচার্য। ২৯১. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কিছু প্রধান উপন্যাস- পল্লীসমাজ (১৯১৬), দেবদাস (১৯১৭), চরিত্রহীন (১৯১৭), শ্রীকান্ত (চার পর্ব-১৯১৭, ১৯১৮, ১৯২৭, ১৯৩৩) ইত্যাদি। ২৯২. বিভূতিভূষণ বদ্দ্যোপাধ্যয়ের উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলো. পথের পাঁচালী (১৯২৯), অপরাজিত (১৯৩২), আরণ্যক (১৩৪৫)। ২৯৩. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলো- ধাত্রীদেবতা (১৯৩৯), গণদেবতা (১৯৪২), পঞ্চগ্রাম (১৯৪৩), হাসুলী বাঁকের উপকথা (১৯৪৭), কবি (১৯৪৭), নাগিনীকন্যার কাহিনী (১৯৫১)। ২৯৪. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এর আসল নাম- প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৯৫. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম গল্প- মন্দির (১৯০৩) ২৯৬. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ- অতসী মামী (১৯৩৫) প্রাগৈতিহাসিক (১৯৩৭). সরীসৃপ (১৯৩৯)। ২৯৭. প্রমথ চৌধুরীর ছদ্যনাম- বীরবল। ২৯৮.১৯১৪ সালে একটি প্রভাবশালী পত্রিকার সম্পাদনা শুরু করে প্রমথ চৌধুরী, পত্রিকাটির নাম-সবুজপত্র। ২৯৯. প্রমথ চৌধুরীর কাবাগ্রন্থ: সনেট পঞ্চাশৎ (১৯১৩), পদ-চরণ (১৯১৯)। ৩০০. প্রমথ চৌধুরীর গল্পগ্রন্থ- চার ইয়ারী কথা (১৯১৬)। ৩০১. বাংলা কবিতায় আধুনিকতা আনা পাঁচ কবি- বুদ্ধদেব বসু, জীবনানন্দ দাশ. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বিষ্ণু দে ও অমিয় চক্রবর্তী। ৩০২. সুধীন্দ্রনাথ দত্তের কাব্যগ্রন্গুলো হলো- তন্বী, অর্কেস্ট্রা, ত্রন্দসী, উত্তর ফাল্গুনী। ৩০৩. বুদ্ধদেব বসুর কাব্যগ্রস্থগুলো হলো- দয়ময়ন্তী, যে আধার আলোর অধিক, মরচে পড়া পেরেকের গান, স্বাগত বিদায় ইত্যাদি। ৩০৪. বিষ্ণু দের কাব্যগ্রইগুলো হলো- উর্বশী ও আর্টেমিস, চোরাবালি, সন্দ্বীপের চর, নাম রেখেছি কোমল গান্ধার, সাত ভাই চম্পা, তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ, স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ, সেই অন্ধকার চাই ইত্যাদি ।
1 comment:
thanks
Post a Comment